Breaking

Showing posts with label General Science. Show all posts
Showing posts with label General Science. Show all posts

Apr 19, 2024

April 19, 2024

ANM and GNM Nursing Entrance 2024 Mocktest in Bengali Part 30

ANM and GNM Nursing Entrance 2024 Mocktest in Bengali Part 30

Hello Students,
ANM এবং GNM এন্ট্রান্স টেস্ট 2024 নেবে পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স বাের্ড । তোমাদের প্রস্তুতিকে একটু এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য আজকে GNM/ANM - এর মকটেস্ট পর্ব 30 উপস্থাপন করা হলো। মকটেস্টটি দিতে নিচে মকটেস্ট শুরু করুন বাটনে ক্লিক করে অংশগ্রহন করুন । প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সময় থাকবে 30 সেকেন্ড। বন্ধুরা পোস্টটি যদি ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই আপনাদের বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করতে ভুলবেন না এবং এমন মকটেস্ট দেওয়ার জন্য প্রত্যহ আমাদের সাইট ফলো করুন অথবা আপডেট পেতে টেলিগ্রামে যুক্ত হয়ে যান।
বিষয়: বিজ্ঞান
মোট প্রশ্ন: ২০টি
পূর্ণমান: ২০
সময়: ৩০ সেকেন্ড/প্রশ্ন
Quiz Application
Quiz Application

নার্সিং এন্ট্রান্স মকটেস্ট
সময়: ৩০ সেকেন্ড/প্রশ্ন

Time's Up
score:

Quiz Result

Total Questions:

Attempt:

Correct:

Wrong:

Percentage:

আরোও দেখুনলিঙ্ক
Nursing এন্ট্রান্স টেস্ট পর্ব ২৯Click Here
Nursing এন্ট্রান্স টেস্ট পর্ব ২৮Click Here

Jun 26, 2022

June 26, 2022

নিউটনের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় গতিসূত্র

নিউটনের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় গতিসূত্র
নিউটনের গতিসূত্র
নিউটনের গতিসূত্র


 ✿ নিউটনের গতিসূত্র [ Newton's law of Motion ] 

       এই বিশ্বব্রহ্মান্ডে গতিশীল বস্তুগুলির আচার-আচরণ এবং তাদের গতি কি নিয়মে চলে এ সম্পর্কে বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন তিনটি মৌলিকসূত্র আবিষ্কার করেন । তাঁর 'প্রিন্সিপিয়া' (Principia Mathematica Philosophiae Naturalis) নামক গ্রন্থে উল্লিখিত এই সূত্রগুলিই নিউটনের গতি সম্পর্কীয় সূত্র নামে পরিচিত ।

  ✱ প্রথম গতিসূত্র : বাইরে থেকে প্রযুক্ত বল দ্বারা অবস্থার পরিবর্তনে বাধ্য না হলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থাতেই থাকবে ও সচল বস্তু সমগতিতে সরলরেখা ধরে চিরকাল চলতে থাকবে।

 নিউটনের প্রথম গতিসূত্র থেকে জাড্য ও বলের সংজ্ঞা পাওয়া যায়।

  • জাড্য : যে ধর্মের জন্য কোনাে জড় পদার্থ স্থিতি বা গতির যে অবস্থায় আছে সেই অবস্থা বজায় রাখার চেষ্টা করে , সেই ধর্মকে পদার্থের জাড্য বলে। ভর যত বেশি হবে পদার্থের জাড্যও তত বেশি হয় । সেক্ষেত্রে বলপ্রয়ােগ বেশি করতে হয় বস্তুর অবস্থা পরিবর্তনের জন্য । 
  • জাড্য দু'প্রকার : স্থিতি জাড্য ও গতি জাড্য। স্থির বস্তুর চিরকাল স্থির থাকার প্রবণতাকে বলে স্থিতি জাড্য । গতিশীল বস্তুর চিরকাল গতিতে সরলরেখা বরাবর চলার প্রবণতাকে বলে গতি জাড্য । গতি জাড্যের জন্য চলন্ত বাসের যাত্রীরা হঠাৎ বাস থামলে সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে, আর স্থির বাস চলতে শুরু করলে যাত্রীরা তার স্থির অবস্থা বজায় রাখতে পিছনে হেলে পড়ে । 

বল: বাইরে থেকে যা প্রয়ােগ করে কোনাে অচল বস্তকে সচল অবস্থায় আনা হয় বা আনার চেষ্টা চেষ্টা করা হয় , কিংবা সচল বস্তুর গতির মান বা দিক পরিবর্তন করা হয় বা করার চেষ্টা করা হয় তাকে বলে বল । বলের মান ও অভিমুখ দুই'ই আছে , তাই বল ভেক্টর রাশি ।


    ✱ দ্বিতীয় গতিসূত্র : কোনাে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার বস্তুটির উপর প্রযুক্ত রামের সমানুপাতিক হয় । প্রমুক্ত বল যে দিকে ক্রিয়া করে , ভরবেগের পরিবর্তন সেই দিকেই হয় ।

ভরবেগ = ভর × বেগ

  P = m × v

ভরবেগ একটি ভেক্টর রাশি ।

    ✱ তৃতীয় গতিসূত্র : প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে । 


  •  ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া সমান বলে পৃথিবী আপেলকে যে বলে আকর্ষণ করে আপেলও সমপরিমাণ গলে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে । কিন্তু যেহেতু পৃথিবীর ভর আপেলটির ভরের তুলনায় বহুগুণ বেশি , তাই পৃথিবীর ত্বরণ আপেলের তুলনায় এইটাই ক্ষুদ্র যে তা ইন্দ্রিগ্রাহ্য হয় না । আপেলের ত্বরণ অনেক বেশি বলে আপেলকে আমরা মাটিতে পড়তে দেখি।
  • নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র অনুযায়ী চুম্বক লােহাকে আকর্ষণ করে । লােহাও সমান ও বিপরীতমুখী বলে চুম্বককে নিজের দিকে আকর্ষণ করে ।
  • কামান থেকে গােলা ছুড়লে গােলাটি প্রচণ্ড বেগে সামনের দিকে ছুটে যায় । সমান প্রতিক্রিয়া বলের জন্য কামানটিও পিছু হটে ।  বন্দুক থেকে গুলি ছুড়লেও একই ঘটনা ঘটে । 
  • বায়ুশূন্য স্থানে পাখি উড়তে পারে না , কারণ পাখি ডানার সাহায্যে বাতাসে আঘাত করে কিন্তু তার সমান ও বিপরীতমুখী বলপ্রয়ােগ করার মত বায়ু থাকে না । 
  • মহাকাশে রকেট ও জেট প্লেনে উৎপন্ন প্রতিক্রিয়া বল রকেটকে মহাকাশে পৌছে দেয় ।



Jul 15, 2021

July 15, 2021

খনিজ ও আকরিক - Mineral and Ore

খনিজ ও আকরিক - Mineral and Ore


➤ খনিজ ও আকরিক (Mineral and Ore) 

❃ খনিজ (Mineral) : প্রকৃতিতে কোনাে ধাতু যৌগ আকারে অবস্থান করলে ওই যৌগকে মৌলটির খনিজ বলে। প্রকৃতিতে ধাতু, যৌগিক পদার্থ, পাথর বা শিলারুপে কঠিন অবস্থায় কখনও বা ভূপৃষ্ঠে আবার কখনও বা ভূগর্ভে অবস্থান করে। যেমন— ম্যাগনেটাইট হলো আয়রনের খনিজ। 

❃ আকরিক (Ore) : যেসব খনিজ পদার্থ থেকে প্রয়ােজনীয় ধাতুকে অল্প খরচে এবং সহজ উপায়ে নিষ্কাশন করা যায় তাকে ওই ধাতুর আকরিক বলে। যেমন - অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর আকরিক বক্সাইড ।

✯  নিচে আয়রন, কপার, অ্যালুমিনিয়াম, জিঙ্ক -এর প্রধান প্রধান আকরিকের নাম ও সংকেত গুলো দেখানো হলো :

ধাতু আকরিকের নাম ও সংকেত
ধাতুআয়রন (Fe) আকরিকের নাম ও সংকেতরেড হেমাটাইট (Fe2O3), ম্যাগনেটাইট (Fe3O4), ব্রাউন হেমাটাইট (Fe2O3, 3H2O), সিডেরাইট (FeCO3)
ধাতুকপার (Cu) আকরিকের নাম ও সংকেতম্যালাকাইট (CuCO3, Cu(OH)2), অ্যাজুরাইট (2CuCO3, Cu(OH)2), কিউপ্রাইট (Cu2O), কপার গ্লান্স বা চ্যালকোসাইট (Cu2S), কপার পাইরাইটিস (Cu2S, Fe2S3 বা CuFeS2)
ধাতুঅ্যালুমিনিয়াম (Al) আকরিকের নাম ও সংকেতবক্সাইড (Al2O3, 2H2O), গিবসাইট (Al2O3, 3H2O), ক্রায়োলাইট (AlF3, 3NaF), অ্যালুনাইট [Al2(SO4)3, K2SO4, 4Al(OH)3]
ধাতুজিঙ্ক (Zn) আকরিকের নাম ও সংকেতজিঙ্ক ব্লেন্ড (ZnS), ক্যালামাইন (ZnCo3), জিংকাইট (ZnO), ফ্রাঙ্কলিনাইট (ZnO, Fe2O3)

Jul 5, 2021

July 05, 2021

সবাত শ্বসন এবং অবাত শ্বসনের পার্থক্য লেখো ?

সবাত শ্বসন এবং অবাত শ্বসনের পার্থক্য লেখো ?
সবাত শ্বসন এবং অবাত শ্বসনের পার্থক্য লেখো ?
সবাত শ্বসন এবং অবাত শ্বসন

সবাত শ্বসন [AEROBIC RESPIRATION ]
 সংজ্ঞা (Definition) : যে শ্বসন পদ্ধতিতে মুক্ত অক্সিজেনের উপস্থিতিতে বায়ুজীবী জীবকোশ - মধ্যস্থ শ্বসন বস্তু (গ্লুকোজ) সম্পূর্ণরুপে জারিত হয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জল উৎপন্ন করে এবং স্বসন বস্তু মধ্যস্থ শক্তি সম্পূর্ণরূপে নির্গত (686 Kcal) হয়, তাকে সবাত শ্বসন বলে । 

অবাত শ্বসন [ANAEROBIC RESPIRATION] 
সংজ্ঞা (Definition) : যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অবায়ুজীবী জীবকোশে মুক্ত অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে কোশস্থ খাদ্য বা শ্বসনবস্তু (গ্লুকোজ) অক্সিজেনযুক্ত যৌগের অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জল ও শক্তি উৎপন্ন করে, তাকে অবাত শ্বসন বলে । 

 ➤ সবাত শ্বসন ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য :
সবাত শ্বসন অবাত শ্বসন
1. সবাত শ্বসনে মুক্ত অক্সিজেনের একান্ত প্রয়ােজন। 1. অবাত শ্বসনে মুক্ত অক্সিজেনের প্রয়ােজন হয় না; কিন্তু অক্সিজেনযুক্ত যৌগের অক্সিজেন প্রয়ােজন হয়।
2. সকল বায়ুজীবী জীবের কোশে সবাত শ্বসন ঘটে। 2. সকল অবায়ুজীবী ব্যাকটেরিয়া কোশে অবাত শ্বসন ঘটে।
3. এই প্রকার শ্বসনে গুকোজের সম্পূর্ণ জারণ ঘটে। 3. গ্লুকোজের অসম্পূর্ণ জারণ ঘটে।
4. সবাত শ্বসন কোশের সাইটোপ্লাজম এবং মাইটোকন্ড্রিয়ায় ঘটে। 4. অবাত শ্বসন কেবলমাত্র কোশের সাইটোপ্লাজমে ঘটে।
5. কার্বন ডাই-অক্সাইড, জল এবং শক্তি উৎপন্ন হয়। 5. কার্বন ডাই-অক্সাইড, জল, অক্সাইড যৌগ এবং শক্তি উৎপন্ন হয়।
6. সবাত শ্বসন প্রতি অণু গ্লুকোজ জারণে 686 kcal তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। ফলে উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ অনেক বেশি। 6. অবাত শ্বসনে প্রতি অণু গ্লুকোজ জারণে 50 kcal তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। ফলে উৎপন্ন শক্তির পরিমাণ অনেক কম।

Jun 3, 2021

June 03, 2021

উদ্ভিদের রেচন পদার্থ

উদ্ভিদের রেচন পদার্থের প্রকার ও অর্থকরী গুরুত্ব (Types of Excretory Products and its Economic Importance )
উদ্ভিদের রেচন পদার্থের প্রকার ও অর্থকরী গুরুত্ব
উদ্ভিদের রেচন পদার্থের প্রকার ও অর্থকরী গুরুত্ব

      উদ্ভিদের রেচন পদার্থগুলিকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করা হয়েছে , যথা — নাইট্রোজেনবিহীন রেচন পদার্থ , যেমন — গঁদ, রজন ও তরুক্ষীর এবং নাইট্রোজেন যুক্ত রেচন পদার্থ, যেমন— উপক্ষার বা ক্ষারক পদার্থ বা অ্যালকালয়েড ( alkaloid ) । নীচে এইসব রেচন পদার্থের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হল -
1. গঁদ বা গাম ( Gums ) : গঁদ এক ধরনের স্বাদ ও গন্ধহীন জলে দ্রবণীয় আঠালাে পদার্থ । জলের সংস্পর্শে গঁদ ফুলে ওঠে । প্রাকৃতিক নিয়মে বা কোনাে আঘাত জনিত কারণে ক্ষত সৃষ্টি হলে উদ্ভিদের কাণ্ড ও শাখার ছাল থেকে গঁদ নিঃসৃত হয় । কর্পূর এক ধরনের গঁদ ।
2. রজন বা রেজিন ( Resins ) : রজন ঈষৎ হরিদ্রাভ, জলে অদ্রবণীয়, কিন্তু ইথার ও কোহলে দ্রবণীয় একরকম কঠিন বর্জ্য পদার্থ । রজন তিন রকমের হয়, যথা— (i) গঁদ রজন (Gum resin) : গঁদের সঙ্গে মিশে থাকা রজনকে গঁদ রজন বলে । ধুনা , হিং এই ধরনের রজন । (ii) কঠিন রজন (Hard resin) : চাঁচ গালা এই প্রকারের রজন । এই প্রকার রজন অ্যালকোহলে দ্রবণীয় । ( iii ) ওলিও রজন (Oleo resin) এই প্রকারের রজন তরল হয় । তার্পিন এই প্রকার রজন ।
3. তরুক্ষীর বা ল্যাটেক্স (Latex) :ক্ষীর শর্করা, প্রােটিন, গঁদ, রজন ও উপক্ষারের সংমিশ্রণে গঠিত এক রকমের অদ্রাব (emulsion) বিশেষ । তরুক্ষীর সাধারণত ক্ষীর কোশ (laticiferous cell ) ও ক্ষীর নালিতে ( latiiferous duct ) জমা থাকে ।
4. উপক্ষার বা অ্যালকালয়েড (Alkaloid) : উদ্ভিদের নাইট্রোজেনঘটিত রেচন পদার্থগুলিকে একত্রে উপক্ষার বা অ্যালকালয়েড বলে । উপক্ষার এক রকমের কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত জৈব যৌগ । প্রােটিন বিপাকের ফলে উদ্ভিদদেহে উপক্ষার সৃষ্টি হয় এবং মুল, কাণ্ড, পাতা, ফল ও বীজে সঞ্চিত থাকে । অধিকাংশ উপক্ষার জলে অদ্রাব্য, কিন্তু কোহলে দ্রাব্য । উপক্ষার স্বাদে তেতাে বা কষা হয় । কিছু কিছু উপক্ষার ভেষজগুণ সম্পন্ন হয় ।
নীচের ছকে উদ্ভিদের উল্লিখিত রেচন পদার্থগুলির উৎস ও অর্থকরী গুরুত্ব দেখানাে হল—
রেচন পদার্থ উৎস অর্থকরী গুরুত্ব
গঁদ জিওল, সজিনা, বাবলা, শিরীষ, আমড়া ইত্যাদি । গঁদ আঠা রূপে বই বাঁধাই ও কাষ্ঠশিল্পে ব্যবহৃত হয় ।
তরুক্ষীর পেঁপে, প্যারারবার, বট, আকন্দ, ফণিমনসা ইত্যাদি । পেঁপে গাছের প্যাপাইন প্রােটিন পরিপাকে সাহায্য করে। প্যারারবার গাছের তরুক্ষীর থেকে বাণিজ্যিক রাবার প্রস্তুত হয় ।
রজন পাইন গাছের কাণ্ড ও পাতার রজন নালী। ধুনা শাল গাছের ছালে থাকে। কঠিন রজন অর্থাৎ গালা কাঠের পালিশ হিসেবে ব্যবহৃত হয় । ওলিও রজন তার্পিন কাঠ ভার্নির্স করার জন্য ব্যবহৃত হয় । গঁদ রজন ধুনা ও কর্পূর পূজা-পার্বনে ব্যবহৃত হয়।
উপক্ষার 👈 উপক্ষারের জন্য এখানে ক্লিক করুন।

ট্যানিন ( Tanin ) : এটি উদ্ভিদের একপ্রকার তিক্ত কার্বনযুক্ত রেচন পদার্থ, যা উদ্ভিদের কোশ প্রাচীরে, কোলেনকাইমা কোশে এবং কাষ্ঠল অংশে জমা হয় । ট্যানিন চা গাছের পাতায়, হরীতকী, বয়ড়া, তেঁতুল ইত্যাদির ফলে থাকে । কালি প্রস্তুতিতে এবং চামড়াকে পাকা করার জন্য ট্যানিন ব্যবহৃত হয় ।
More TopicLink
সাধারণ বিজ্ঞানের প্রশ্নোত্তরClick Here
জীবন বিজ্ঞানের প্রশ্নোত্তরClick Here

May 23, 2021

May 23, 2021

PDF Respiratory Organs of Animals in Bengali

পিডিএফ প্রাণীদের শ্বাস অঙ্গ - Respiratory Organs of Animals

Respiratory organs
Respiratory Organs in Bengali

প্রাণীদের শ্বাস অঙ্গ (Respiratory Organs of Animals) : 

প্রাণীরাজ্যে শ্বাসকার্য পদ্ধতি বৈচিত্রে ভরা। প্রাণীরা প্রধানত বাতাস কিংবা জল থেকে অক্সিজেন নিয়ে শ্বসন করে। বাসস্থানের প্রকৃতি এবং অভিযােজন ও অভিব্যক্তির উপর নির্ভর করে প্রাণীদের ভিন্ন ভিন্ন ধরনের শ্বাসযন্ত্র দেখা যায়। যেমন —


১. দেহগাত্র (Body Surface) : দেহতল দ্বারা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শাসকার্য চালায়। যেমন — অ্যামিবা, হাইড্রা, স্পঞ্জ ইত্যাদি।

 ২. ত্বক বা চামড়া (Skin) : দেহের আর্দ্র ও জালকপূর্ণ ত্বককে শাসঅঙ্গ হিসাবে ব্যবহার করে। যেমন — কেঁচো, জোক ইত্যাদি। 

৩. শ্বাসছিদ্র এবং শ্বাসনালি (Spiracle and Trachea) : সন্ধিপদ শ্রেণির প্রাণীরা দেহমধ্যস্থ দশজোড়া স্বাসছিদ্র ও শ্বাসনালির মাধ্যমে শাসকার্য চালায়। যেমন — আরশােলা, প্রজাপতি, ফড়িং ইত্যাদি।

৪. ফুলকা (Gills) : ফুলকা বেশিরভাগ জলজ প্রাণীদের প্রধান স্বাসযন্ত্র। যেমন — বুই, কাতলা, চিংড়ি, শামুক ইত্যাদি।

৫. অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র (Accessory respiratory organs) : ফুলকা ছাড়া কতিপয় জিওল মাছের দেহে অতিরিক্ত শাসযন্ত্র দেখা যায়। যেমন — কই, শিঙ্গি, মাগুর ইত্যাদি।

৬. বুকলাঙ (Booklung) : সন্ধিপদ পর্বের কিছু প্রাণীদের আবার পুস্তকের মতাে ফুসফুস দেখা যায়। যেমন — মাকড়সা, কাঁকড়াবিছে ইত্যাদি।

৭. বহিঃফুলকা (External gills) : ব্যাঙাচি অবস্থায় জলে বৃদ্ধি প্রাপ্ত হওয়ার জন্য বহিঃফুলকা শ্বাসযন্ত্র হিসাবে কাজ করে। 

৮. ফুসফুস (Lung) : উন্নত শ্রেণির প্রাণীদের প্রধান শ্বাসযন্ত্র ফুসফুস বা লাং। যেমন — উভচর, পক্ষী, সরীসৃপ, মানুষ ইত্যাদি। 


শ্বাস অঙ্গের বৈশিষ্ট্য :

(i) শ্বাসঅঙ্গগুলি অর্ধভেদ্য, আর্দ্র এবং বিস্তৃত।

(ii) শ্বাসঅঙ্গগুলি প্রচুর রক্তজালকে পরিবৃত থাকে।


প্রাণীদের শ্বাস-অঙ্গ সমূহের নাম

প্রাণীর নাম শ্বাস-অঙ্গের নাম
অ্যামিবা,স্পঞ্জ,হাইড্রা দেহতল
কেঁচো, জোঁক দেহত্বক
আরশোলা, প্রজাপতি, ফড়িং প্রভৃতি পতঙ্গ শ্রেণিভুক্ত প্রাণী শ্বসছিদ্র এবং শ্বাসনালি
মাছ, চিংড়ি, শামুক ফুলকা
কই, শিঙ্গি, মাগুর ফুলকা, অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত্র
ব্যাঙাচি বহি:ফুলকা
মাকড়সা, কাঁকড়াবিছে বুকলাঙ বা পুস্তক ফুসফুস
শামুক, ঝিনুক ফুলকা
চিংড়ি, রাজকাঁকড়া বুকগিল বা পুস্তক ফুলকা
ব্যাঙ (উভচর) ফুসফুস, চামড়া, মুখবিবর, গলবিলের মিউকাস পর্দা
সরীসৃপ (সাপ, টিকটিকি, গিরগিটি, কচ্ছপ) ফুসফুস
পক্ষী ফুসফুস ও বায়ুথলি
স্তন্যপায়ী (তিমি, বাদুড়, গিনিপিগ, মানুষ) ফুসফুস

File Details:
PDF Name :  প্রাণীদের শ্বাসঅঙ্গসমূহের নাম
Language : Bengali
Size : 259 kb 
No. of Pages : 01
Download Link : Click Here To Download

আরোও দেখুনলিঙ্ক
চলন ও গমনClick Here
নিউটনের সূত্রসমূহClick Here

May 19, 2021

May 19, 2021

চলন ও গমনের সংজ্ঞা এবং পার্থক্য (Movement and Locomotion)

চলন ও গমনের সংজ্ঞা এবং পার্থক্য (Movement and Locomotion)
চলন ও গমনের সংজ্ঞা এবং পার্থক্য (Movement and Locomotion)
চলন ও গমনের সংজ্ঞা এবং পার্থক্য (Movement and Locomotion)

  •  চলন ও গমনের সংজ্ঞা (Definition of Movement and Locomotion):

  যে প্রক্রিয়ায় জীব নির্দিষ্ট স্থানে স্থির থেকে অর্থাৎ স্থানান্তরে না গিয়ে উদ্দীপকের প্রভাবে বা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালন করে তাকে চলন বলে।

    যে প্রক্রিয়ায় জীব স্বেচ্ছায় অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সঞ্চালনের দ্বারা সামগ্রিকভাবে স্থান পরিবর্তন করে তাকে গমন বলে।

  • চলন ও গমনের পার্থক্য : (Differences between Movement and Locomotion) :

চলন গমন
এই প্রক্রিয়ায় জীবের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন হয় না। এই প্রক্রিয়ায় জীবের সামগ্রিক স্থান পরিবর্তন হয়।
এই প্রক্রিয়ায় জীবের অঙ্গ-বিশেষের সঞ্চালন ঘটে এই প্রক্রিয়ায় জীবের সামগ্রিক দেহের সঞ্চালন ঘটে।
কোন নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ থেকে চলন সম্ভব। কোন নির্দিষ্ট স্থানে আবদ্ধ থেকে গমন সম্ভব নয়।
চলন হলেই গমন হবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। গমন হলে চলন অবশ্যই হবে।


  • গমনে সক্ষম উদ্ভিদ : ক্ল্যামাইডোমোনাস, ভলভক্স, ডায়াটম
  • গমনে অক্ষম প্রাণী : সাগর কুসুম, প্রবাল, স্পঞ্জ, ওবেলিয়া, অ্যাসিডিয়া